খাগড়াছড়ি, , বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

অনলাইন থেকে সরাসরি ক্লাসে পাঠদান, খুঁশি শিক্ষার্থী সহ অভিভাবকরা

প্রকাশ: ২০২১-০৯-১০ ১৭:৫৯:৫৭ || আপডেট: ২০২১-০৯-১০ ১৮:০০:০৪

মোহাম্মদ শাহেদ হোসেন রানা, রামগড়ঃ অনলাইন থেকে বের হয়ে এবার ক্লাসে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার খুঁশিতে দারুণ খুঁশি পার্বত্য খাগড়াছড়ি রামগড়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অভিভাবক সহ এর সাথে জড়িতরা। খুঁশির পাশাপাশি যাতে করে কোনো ভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রমন না বাড়ে এজন্য সর্তক ও রয়েছে তাঁরা।

দীর্ঘ ১৭ মাস পর খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এজন্য ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে শ্রেনী কক্ষ থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের মাঠ পরিষ্কারের কাজ। প্রথমবারের মতো নতুন ক্লাসে উন্নতি হওয়ার আট মাস পর ক্লাসে যোগ দেওয়ার আগাম খবরে খু্ঁশিতে আত্মহারা শিক্ষার্থীরা।অনলাইন থেকে সরাসরি ক্লাসে এতে করে পড়ালেখায় মনোনিবেশে ভালো ফলাফলে সহায়তা প্রদান করে বলে আশা করছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা।

এসময়, রামগড় উপজেলার বেশ কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের তানজিনা আক্তার রিমা নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমি চতুর্থ শ্রেনীতে উঠার পর মাত্র দুই মাস ক্লাস করেছি তাঁরপর থেকে করোনা ভাইরাসের জন্য স্কুলে যেতে পারিনি।কিন্তু এবছর আমি পঞ্চম শ্রেনীতে উঠার পরে নতুন ক্লাসে আট মাস পরে লেখাপড়া করতে পারবো বলে আনন্দ বোধ করছি।

অভিভাবক ও নিউ রামগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো.জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্কুল গুলো বন্ধ থাকায় আমাদের ছেলে মেয়েরা মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়ে ছিল। এখন করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার কমে যাওয়ায় সরকার স্বাস্থ্য বিধি মেনে স্কুল গুলো খুলে দেওয়াতে আমরা আনন্দিত। সেই সাথে সরকার যেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাপ্তাহে তিন দিন করে ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

এবিষয়ে, রামগড় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.ইলিয়াস হোসেন বলেন,সরকারি নির্দেশনা ও স্বাহ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষার পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে। তবে যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,শিক্ষার্থী সহ কেউ যদি করোনায় আক্রান্ত হয় তাঁহলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এজন্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি ঠেকাতে বিদ্যালয় গুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়াও বিদ্যালয় গুলোতে আমাদের পর্যবেক্ষণ সর্বদা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও ছেলে মেয়েদের প্রতি সচেতন হওয়ার পর্রামশ দেন। এছাড়া কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পরিবারের কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তাকে করোনা নেগেটিভ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয়ে না আসার কথা ও বলেন তিনি।

করোনা মুক্ত হয়ে আবারও সবার জীবন স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আনন্দ মূখর হয়ে উঠবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো এমনটি আশা করেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!