খাগড়াছড়ি, , বুধবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৯

রাংগামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন-১৯০০ সালের গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব

প্রকাশ: ২০১৬-১১-১২ ১৫:৪১:১০ || আপডেট: ২০১৬-১১-১২ ১৫:৪১:১০

alokitopahar3রাঙামাটি সংবাদদাতা:  পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন-১৯০০ সালের  গ্রন্থের ইংরেজী (২য় সংস্করণ) ও বাংলা সংস্করণ-এর প্রকাশনা উৎসব আজ  শনিবার সকালে রাঙামাটিতে  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড মিলনায়তনে এসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম এ্যান্ড ডেভলমেন্ট (এএলআরডি) এবং আইনজীবী সমিতির প্রকাশনা উৎসবে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি মো: নিজামুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট  বিভাগের বিচারপতি মো: রুহুল কুদ্দুস, বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট জেড.আই. খান পান্না, দায়রা জজ মো: কাউসার,  সার্কেল চীফ ও চাকমা সার্কেল ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়, এএলআরডি নির্বাহী পরিচালক শাসসুল হুদা এবং জেলা আইনজীবি সমিতি সভাপতি এডভোকেট প্রতিম রায় পাপ্পু প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি মো: নিজামুল হক বলেছেন, পার্বত্যাঞ্চলে কোন কোন আইন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয় কিন্তু এসব আইনগুলো  কোথায় উৎপত্তি এবং কোথায় থেকে এসেছে তার কোন হদিস নেই। কোন কোন ক্ষেত্রে ১৯০০ সনের  জেলা পরিষদ আইন, আঞ্চলিক পরিষদ আইন ভিন্ন এবং এক এক জায়গায় এক এক রকম হওয়ায় এটার মধ্যে সমন্বয় করা জরুরী হয়ে পড়েছে। অন্যথায় ভিন্ন ভিন্ন আইনের কারনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অধিকারকে সমুন্নত করবে এমন আইন কালের বির্বতনে হারিয়ে যাবে। আর এ বিষয়ে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ ভুমিকা নিতে পারে ।

পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা বলেছেন, পার্বত্যাঞ্চলে সেনা শাসন আছে। সেখানে বিচারপতি, হেডম্যানদের কোন আইন চলে না। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তির ১৮ বছর পার হয়ে গেলেও পার্বত্যাঞ্চল থেকে সেনা ক্যাম্প অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প এখনও তুলে নেওয়া হয়নি। তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চুক্তি যথাযথ বাস্তবায়ন করলে এখানে আইন ব্যবস্থা আরো উন্নত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্যের পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন-১৯০০ সালের  গ্রন্থের ইংরেজী (২য় সংস্করণ) ও বাংলা সংস্করণ বইগুলোর মোড়ক উম্মোচন করেন অতিথিবৃন্দরা।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পূর্বের সংবাদ

January 2019
M T W T F S S
« Dec    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় প্রথম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন