খাগড়াছড়ি, , সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮

মিলনপুর বনবিহারে কঠিন চিবরদান অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২০১৬-১০-৩১ ১৪:৩১:০৬ || আপডেট: ২০১৬-১০-৩১ ১৬:৩৪:০৯

katina-chibor-dan-pictureমহালছড়ি সংবাদদাতা:  মহালছড়ি উপজেলার করল্যাছড়ি মিলনপুর বন বিহারে কঠিন চিবর দান অনুষ্ঠান বুদ্ধের প্রধান উপাসিকা বিশাখার প্রদত্ত রীতিনীতি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় তুলা থেকে সুতা তৈরি আর সুতা রং করা এবং বেইন (তাঁত) বুননের কাজ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই চিবর তৈরির কাজ শেষ করে ৩১ অক্টোবর সোমবার এ চিবর  দান করা হয় ভিক্ষু সংঘকে। নিরলস ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে চিবর তৈরি করে কঠোর পরিশ্রমে তৈরি করা এ রঙিন কাপড় দেয়াকে বৌদ্ধ ধর্মীয় মতে বলা হয়ে থাকে কঠিন চিবর দান।

এ দানের মাধ্যমে পূণ্যতা অর্জন করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী নারী পুরুষসহ বিভিন্ন ধর্মালম্বীর হাজারো পূণ্যার্থীর উপস্থিতিতে এক উৎসবে পরিণত হয়। বেইন বুনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহালছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা। এতে ২৫টি বেইন (তাঁত) দল অংশগ্রহন করেছে।

উল্লেখ্য, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে বুদ্ধের সময়  বুদ্ধের প্রধান উপাসিকা উপাসিকা বিশাখা ভিক্ষুসংঘের উদ্দেশ্যে কঠিন চীবর দান  করেন। বুদ্ধের সময়ে মগধরাজ্যে পাঁচজন শ্রেষ্ঠী (ধনকুবের ) ছিলেন। মেন্ডক, জ্যোতিষ, জটিল, পুর্ণ ও কাকবলিয় এই পাঁচজন শ্রেষ্ঠীর প্রত্যেকে বুদ্ধের অনুগত ছিলেন। ধনকুবের মেন্ডক শ্রেষ্ঠীর পুত্রের নাম ধনঞ্জয় শ্রেষ্ঠী এবং পুত্রবধুর নাম ছিল সুমনাদেবী। তাদেঁর গুনবতী ও রূপবতী কন্যার নাম বিশাখা। বুদ্ধের ধর্ম এবং শাসন প্রচার ও প্রসারে বিশাখা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। তিনিই একমাত্র উপাসিকা যার মধ্যে মাত্র সাত বছর বয়সে বুদ্ধের প্রতি অটল শ্রদ্ধা জন্মে ছিল।

Leave a Reply

আরকাইভস

April 2018
M T W T F S S
« Mar    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় ১ম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন

error: Content is protected !!