খাগড়াছড়ি, , রোববার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

কনকনে ঠাণ্ডায় নদী তীরবর্তী মানুষের দুর্ভোগ

প্রকাশ: ২০১৬-১২-১৫ ১৬:০৩:৪৫ || আপডেট: ২০১৬-১২-১৫ ১৬:০৪:২১

%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a6%a4রংপুর প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে কনকনে ঠাণ্ডায় চর-দ্বীপচর ও নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।  শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে বৃদ্ধ ও শিশুদের। আর খেটে খাওয়া মানুষের দুর্দশা সবচেয়ে বেশি। কারণ গরম কাপড়ের অভাবে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা কাজে বের হতে পারছেন না।

দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। অন্যদিকে সন্ধ্যার আগেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গোটা জনপদ। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তে থাকে ঠাণ্ডার তীব্রতা। দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন।

কুড়িগ্রাম শহরের রিকশা চালক আফজাল হোসেন বলেন, ‘কয়দিন থাকি খুব শীত পড়ছে। দুপুর পর্যন্ত ঘর থাকি বাইর হবার পারি না। গরম কাপড় নাই। দুপুরে রিকশা নিয়া বাইর হই। আয় রোজগার একেবারে নাই।’

সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র পাড়ের বৃদ্ধ আবদুল জলিল বলেন, ‘হামরা নদী পাড়ের মানুষ। কয়েকদিন থাকি শীতের সাথে ঠাণ্ডা বাতাস। হাতে পায়ে ঠাণ্ডা ধরে। রাইত হইলে হিম পড়ে। গরম কাপড় নাই। ঠাণ্ডায় ঘরের ভেতরও থাকা যায় না।

কুড়িগ্রাম আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. জাকির হোসেন  জানান, গত তিনদিন ধরে এ অঞ্চলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করছে।

Leave a Reply

আরকাইভস

April 2018
M T W T F S S
« Mar    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় ১ম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন

error: Content is protected !!