খাগড়াছড়ি, , বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

লামায় টানা বৃষ্টিতে আতঙ্ক, করা হচ্ছে মাইকিং

প্রকাশ: ২০১৮-১০-১২ ২০:৫১:২৭ || আপডেট: ২০১৮-১০-১২ ২০:৫১:২৭

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় তিতলির প্রভাবে পাহাড়ে বৃষ্টি যেন থামছেই না। টানাবর্ষণের ফলে দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের আশংকা। এদিকে টানা বৃষ্টি দেখে সবাইকে সতর্ক থাকতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত কয়েকদিন যাবৎ একাধিকবার মাইকিং করা হয়েছে।

গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত এখনো থামছেনা। আবহাওয়ার সংবাদ মতে আরো কয়েকদিন থাকবে এই বর্ষণ। কখনো হালকা, কখনো মাঝারি, আবার কখনো ভারি বর্ষণ হচ্ছে পাহাড়ে। এ অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে এখনই নিরাপদে সরে যেতে বার বার তাগিত দিচ্ছে লামা উপজেলা প্রশাসন।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারা দিন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পাহাড়ের জন্য তেমন ভালো লক্ষন নয়। তাতেই পাহাড় ধসের শঙ্কা সবচেয়ে বেশী। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ দূরুত্বে সরে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এদিকে দুর্যোগ মোকাবেলায় ও সার্বিক তদারকির জন্য উপজেলা প্রশাসনের হতে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। জরুরী প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকলকে লামা উপজেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের নাম্বার সমূহে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। ইউএনও লামা-০১৫৫০-০০৭১৮০পিআইও-লামা- ০১৮৪৫-৭২৯৭২১পিআইও সহকারী- ০১৭১৭৭-১৪৭৩৬আইসিটি টেকনিশিয়ান-০১৫৫৩২৬২৪৭৮/ ০১৮৪২-০২১০৬৬

লামা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মজনুর রহমান বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় বেশ কয়েকবার আমরা প্রস্তুতি সভা করেছি। এবিষয়ে সকল ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা হয়েছে। যে কোন দূর্ঘটনা ঘটার সাথে সাথে আমাদের অবহিত করলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এব্যাপারে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি বলেন, পাহাড় ধসে একটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে দেওয়া যাবে না। উপজেলা প্রশাসন এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো আগে থেকে চিহ্নিত করা ছিল। সেখানে অবস্তানরত মানুষগুলোকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এলাকায় এলাকায় মাইকিং করে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বার বার বলা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের এ আদেশ অমান্য করে যারা বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ের নিচে বসবাস করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা শহরে প্রাণকেন্দ্রে ৭টি স্কুল ও মাদ্রাসায় আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিবে তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি সবাইকে দুর্যোগ মোকাবেলায় এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পূর্বের সংবাদ

December 2018
M T W T F S S
« Nov    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় প্রথম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন