খাগড়াছড়ি, , শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯

লামায় গভীর রাতে জলপাই রংয়ের ইউনিফর্ম ও অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসীদের হানা

প্রকাশ: ২০১৮-১২-১৭ ১২:৪৮:২৯ || আপডেট: ২০১৮-১২-১৭ ১২:৪৮:৩৫

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামা উপজেলার সদর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে গভীর রাতে হানা দিয়েছে একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ। এসময় বেশ কয়েকজনকে মারধর, লুটপাটের চেষ্টা ও ২ জনকে তুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ভোরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত ২টায় লামা সদর ইউনিয়নের ঠাকুর ঝিরি, বরিশাল পাড়া ও বৈল্ল্যারচর এলাকায় এই তান্ডব চালায় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। তুলে নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা হল, সদর ইউনিয়নের ঠাকুরঝিরি এলাকার মেহের আলী (৩২) পিতা- সুরুজ আলী ও বরিশাল পাড়ার সমির উদ্দিন (৫৫) পিতা- আব্দুস সালাম।

প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে রাত ১টায় বৈল্ল্যারচর গ্রামের রবিউল আলম ভূঁইয়ার বাড়িতে হামলা চালায় সশস্ত্র গ্রুপটি। এসময় তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তারপর সন্ত্রাসীরা বরিশাল পাড়ার সাবেক মেম্বার আব্দুৃল ছোবাহানের বাড়িতে ঘন্টাব্যাপী বাড়ির জিনিসপত্র তছনছ করে লুটপাট চালায় ও তাদের কাজের লোক সমির উদ্দিন (৫৫) কে মারধর করে নিয়ে যায়। কিছুদূর নেয়ার পরে তারা সমির উদ্দিনকে ছেড়ে দেয়। সবশেষে রাত ২টায় ঠাকুরঝিরি গ্রামের মেহের আলীকে মারধর করে তুলে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা। ভোরে তাকেও ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। গ্রুপটিতে প্রায় ৩৫ জন সন্ত্রাসী ছিল। তাদের সকলে গায়ে জলপাই রংয়ের ইউনিফর্ম ও হাতে অস্ত্র ছিল।

স্থানীয় একজন জানিয়েছেন, পুরো এলাকায় লোকজনের মাঝে এখন ভীতির সঞ্চার হয়েছে। মাস দুয়েক আগে সদর ইউনিয়নে দিনের বেলায় যে সন্ত্রাসী গ্রুপটি হামলা চালিয়েছিল এরা তারা। চাঁদা আদায়ের জন্য এই হামলা করা হয়েছে বলে তারা ধারনা করেন।

সদর ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন বলেন, কয়েকদিন পর পর সন্ত্রাসীদের এই ধরনের হামলার কারণে জনগণ যথেষ্ট উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেন। আরো বলেন, আমি ঘটনাস্থলে দিকে রওনা হয়েছি।
বিষয়টি উদ্বেগজনক উল্লেখ করে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ঘটনাস্থলে দ্রুত ফোর্স পাঠানো হচ্ছে।

লামা সেনা ক্যাম্পের সাব জোন কমান্ডার বলেন, সন্ত্রাসী হামলার খবর পাওয়ার পর থেকেই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পূর্বের সংবাদ

January 2019
M T W T F S S
« Dec    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় প্রথম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন