খাগড়াছড়ি, , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০

লামায় আগুনে ১০ দোকান পুড়ে ছাই ॥ ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৩০ লাখ

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-০৬ ১০:৩৪:১২ || আপডেট: ২০১৮-০৩-০৬ ১০:৩৪:১২

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি: পাড়া এলাকায় সোমবার (৬ মার্চ) রাত ২টায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে ১০টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রাথমিক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা বলে ধারনা করা হচ্ছে। লামা ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকান গুলো হল, মো. মোস্তফা (মুদির দোকান), রিয়াদ উদ্দিন শিপন (ফার্ণিচার), আব্দুল মতিন (মুদির দোকান), মো. সোহেল (বিস্কুট ডিলার), মো. নাছির (মুদির দোকান), রাসেল (ফার্ণিচার দোকান), নুর ইসলাম (কয়লার দোকান), শফিকুল ইসলাম (অটো রিক্সার গ্যারেজ), জসিম (সিএনজি গ্যারেজ) ও ফাহিম (ফার্ণিচার দোকান)।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, রাত ২টায় হঠাৎ করে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হতে দোকানে আগুন লেগে যায়। গভীর রাত হওয়ায় আশপাশে কোন মানুষজন না থাকায় মুহুর্তে আগুন নিয়ন্ত্রণে করা সম্ভব হয়নি। দোকান গুলো কাঠ ও টিনের হওয়ায় মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারপাশে ছড়িয়ে পড়লে ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পাওয়া মাত্র ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্থানীয়রা ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

লামা ফায়ার সার্ভিসের লিডার বিশ্বান্তর বিকাশ বড়–য়া বলেন, আগুন লাগার প্রায় আধা ঘন্টা পরে লোকজন আমাদের ফোন করে। আরো দ্রুত খবর পেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম হত। তারপরেও ঘটনাস্থলের পূর্ব পাশের প্রায় ৩০টি বসতঘর আগুনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। পুড়ে যাওয়া ১০টি দোকানের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা বলে ধারনা করা হচ্ছে।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের লামা পৌরসভা থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন লামা পৌরসভার মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম। রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ফাতেমা পারুল, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. রফিক।লামায় আগুনে ১০ দোকান পুড়ে ছাই ॥ ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৩০ লাখ

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.