খাগড়াছড়ি, , শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

মানিকছড়ির ৩টি পূজামন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হচ্ছে

প্রকাশ: ২০২০-১০-২৫ ১৬:৪৭:২৯ || আপডেট: ২০২০-১০-২৫ ১৬:৪৭:৩১

মো: জাকির হোসেন, মানকিছড়ি: বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণেই সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী পরিবেশে এবার পার্বত্য জনপদ মংরাজ আবাসস্থল মানিকছড়িতে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। প্রয়াত মংরাজা মম্প্রুসাইন বাহাদুর এ হাত ধরে ১৯৭৭ সালে প্রথম মানিকছড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয় রাজ শ্যামা কালী মন্দির। সেই থেকেই মহা ধুমধাম আয়োজনে এখানকার সনাতন সম্প্রদায়ের ধর্মালম্বীরা পালন করে আসছিল দুর্গাপূজা। পরবর্তীতে এ মন্দিরে পূজারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় জনবহুল জনপদ তিনটহরী ও একসত্যা পাড়ায় স্থানীয়দের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় আরো দুইটি দুর্গা মন্দির। পালিত হতে থাকে দুর্গাপূজাসহ নানা ধর্মী উৎসব।

শারদীয় দুর্গাপূজায় এবার“ দিগন্তের ঐ কাশবন পেরিয়ে দোলায় চড়ে, শিউলী ঢাকা পথে স্বপরিবারে মর্ত্যলোকে আসেন মহেশ্বরী-মহামায়া, সর্বকল্যাণদায়িনী,জগৎ জননী মা দুর্গা”। বৃষ্ঠিস্নাত মেঘাছন্ন আকাশে মাঝারী ও ভারী বৃষ্টিপাতে ধর্মীয় উৎসবে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তারপরও তাদের মনে ধমীয় রীতি অনুযায়ী সবচেয়ে বড় উৎসব পালনে কোন বেঘাত ঘটেনি। এছাড়া করোনার বিধিনিষেধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী ও মহাষ্ঠমীতে পূজা মন্ডপে দর্শনার্থী ও পূজারীরা আরাধনা করছে মন্ডপে মন্ডপে।

রাজ শ্যামা কালী মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তুষার পাল বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনায় আমরা সরকারী বিধি নিষেধ মেনে সকলের সহযোগিতায় অনাড়ম্বর পরিবেশে দুর্গোৎসব পালন করছি। সভাপতি বাদল কান্তি সেন বলেন, উপজেলার প্রাচীন এই রাজশ্যামা কালী মন্দিরটি ১৯৭৭ সালে তৎকালীণ মংরাজা মম্প্রুসাইন বাহাদুর এর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত। করোনার মহামারীতে অনাড়ম্বর পরিবেশ হলেও প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংবাদকর্মীসহ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতায় আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পেরে সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.