খাগড়াছড়ি, , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

মানিকছড়িতে ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন

প্রকাশ: ২০২০-০৬-০২ ১৮:৪৪:০৮ || আপডেট: ২০২০-০৬-০২ ১৮:৪৪:১১

মো. জাকির হোসেন, মানিকছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলাতে উৎপাদিত বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছেন খাদ্য বিভাগ।

উপজেলার প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় সরকারের ধান ক্রয় অভিযানে কোন রকম ঘাটতি হওয়ার আশংকা নেই বলে কৃষিবিদদের অভিমত।

২জুন মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলা খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না মাহমুদ।

এ সময় উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শ্যামপ্রসাদ চাকমা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার এবং ওসিএলএসডি মো.শামীম উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় খাদ্য কর্মকর্তা জানান, এ বছর সরকারীভাবে প্রতি কেজি ধান ২৬ টাকা হারে প্রতি মণ এক হাজার ৪০টাকা দরে সরকার বোরো ধান ক্রয় করবে। মানিকছড়ি-লক্ষীছড়ি উপজেলার একমাত্র এই খাদ্যগুদামে সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার মানিকছড়ির কৃষক থেকে একশত ৩০ মে.টন এবং লক্ষ্মীছড়ির কৃষক থেকে একশত ১৪ মে.টন ধান ক্রয় করা হবে।

উল্লেখ্য যে বোরো মৌসুমে মানিকছড়ি উপজেলার ৯শ ৮০হেক্টর জমিতে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। হেক্টর প্রতি সাড়ে ৪ মে.টন ধান উৎপাদন ধরে শুধু মানিকছড়িতে এবার ধান উৎপাদন হয়েছে চার হাজার ৪শত মে.টনের অধিক। সরকারীভাবে মাত্র একশত ৩০ মে.টন ধান সংগ্রহ করা হলে অবশিষ্ট চার হাজার ৩শ মে.টন ধান থেকে যাবে কৃষকের গোলায় বা আড়তে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের পরিশ্রম ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতার ফসল। ধান উৎপাদনে এবার আমরা সরকারের লক্ষ্যমাত্র অর্জন করতে পেরেছি। এখন অপেক্ষা কৃষক যাতে তাদের উৎপাদিত ধান সহজে এবং ন্যায্যমূল্যে বাজারজাত করতে পারে সেটি নিশ্চিত করা।

বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধনকালে উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব তাই কৃষকের দিকে লক্ষ্য রেখে বোরো ধান ক্রয়ে কোন রকম হেরফের সহ্য করবে না। মধ্যস্থভোগি কেউই কৃষকের অধিকারে যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেদিকে আমরা নজরদারী করছি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.