খাগড়াছড়ি, , বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯

মানিকছড়িতে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বেরেই চলেছে জুয়া

প্রকাশ: ২০১৯-০২-২৪ ২০:০৮:০৬ || আপডেট: ২০১৯-০২-২৪ ২০:০৮:১২

মোঃ জাকির হোসেন, মানিকছড়ি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মানিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ক্রিকেট খেলা নিয়ে দিন দিন বেরেই চলেছে জুয়া, তাতে আসক্ত হচ্ছে তরুণরা। বর্তমান বিশ্বের একটি জনপ্রিয় ও ভদ্র খেলা ক্রিকেট।বিশ্বের অনেক দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও এই জনপ্রিয় খেলায় অংশগ্রহণ করে আসছে।দিন দিন এ খেলার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানিকছড়ি উপজেলায় ও এই খেলার জনপ্রিয়তা অনেক।খেলাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবাধে চলছে জুয়া।আর এসব জুয়ায় বেশিরভাগ দেখা যায় তরুণদের। যাদের বয়স ১৫-৪০ বছরের মধ্যে।

কেহ কেহ টিভিতে, খেলার মাঠে, স্কুল-কলেজে, চায়ের দোকান, মুদি মালের দোকান, পান দোকান, সেলুন, কাপড়ের দোকান, রির্চাজের দোকান, ফুল বিতান, মোবাইলশপ,কম্পিউটারের দোকান, মাছ বাজার, গরু বাজার, পান বাজার এমনকি নানা রকম ক্লাবে এ সব জুয়া ধরা হয়।

আইসিসি ODI বিশ্বকাপ, টি২০ বিশ্বকাপ, এশিয়াকাপ, আইপিএল, বিপিএল, বিগ ব্যাস, সিপিএল ও আরো অন্যান্য প্রিমিয়ার লীগে এ সব জুয়া ধরা হয়।

জুয়া ধরা হয় খেলা শুরুর আগে, খেলায় কোন দল জিতবে, টসে কোন দল জিতবে, পাওয়ার প্লেতে কোন দল কত রান করবে, এক ওভারে কত রান হবে, এক বলে চার হবে না কি ছক্কা হবে ১ রান করবে না কি উইকেট যাবে তার উপর ভিত্তি করে।দশ টাকা থেকে শুরু করে হাজার হাজার টাকার বাজি ধরা হয় এক ম্যাচে।কেহ কেহ নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, মোটরবাইক নিয়েও বাজি ধরে। মাঝে মাঝে লক্ষ লক্ষ টাকাও ছাড়িয়ে যায় বাজির পরিমাণ। একক ভাবে বাজি ধরতে না পারলে কয়েক জনে মিলে এসব বাজি ধরে।

জুয়ার টাকা না থাকলে অনেকে বিষাদ গ্রস্থ হয়।তাদের মেজাজ সব সময় খিটখিটে থাকে।নানা রকম খারাপ কাজের দিকে ধাবিত হয়।কেহ কেহ নানা রকম মাদকাসক্তিতে আসক্ত হয়।পরিবারের সদস্যদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে।বাড়িতে মা-বাবা,ভাই-বোন পরিবারের যে কোনো সদস্যের জমানো টাকা চুরি করে,বাড়ির গরু-ছাগল, মায়ের গহনা চুরি করে, আবার কেহ কেহ বাড়ির জিনিসপত্র চুরি করে অন্য কাহারো কাছে বিক্রি করে দেন।এসব বিষয় নিয়ে কোনো কোনো সময় পরিবারে অশান্তি নেমে আসে। মা-বাবার মাঝে ঝগড়া ঝাটি, মারামারি নেমে আসে।ছেলেদের এই সব জুয়ার কারনে একটি সুখী পরিবার নিমিশেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পূর্বের সংবাদ

March 2019
M T W T F S S
« Feb    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় প্রথম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন