খাগড়াছড়ি, , রোববার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

মাটির নিচে নেওয়া হচ্ছে বিদ্যুতের তার

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০৩ ২২:২৮:৩৯ || আপডেট: ২০১৮-০৭-০৩ ২২:২৯:০৭

আলোকিত ডেস্ক: মঙ্গলবার একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় ‘ঢাকাস্থ গুলশানে ভূগর্ভস্থ গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ’ প্রকল্পসহ মোট আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। ছবি: ফোকাস বাংলাবিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধিকল্পে ঢাকার গুলশানে ভূগর্ভস্থ গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ করছে সরকার। এ জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৯৫০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় ‘ঢাকাস্থ গুলশানে ১৩২/৩৩/১১ কেভি ভূগর্ভস্থ গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ’ প্রকল্পসহ মোট আটটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৪৯৩ কোটি ৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৩ হাজার ২৭৯ কোটি ২২ লাখ টাকা, প্রকল্প সাহায্য ৩ হাজার ৩৩ কোটি ৮৮ লাখ এবং ১৭৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা পাওয়া যাবে সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প সম্পর্কে সাংবাদিকদের বলেন, গুলশানে ভূগর্ভস্থ উপকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে ঢাকা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি হবে। এতে ডেসকো এলাকায় জনদুর্ভোগ কমবে এবং নতুন গ্রাহক সংযোগ সুবিধা তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৬২৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে অর্থায়ন করবে। এ বছরের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।

১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ হবে
পাসপোর্ট সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশে আর ১৬টি পাসপোর্ট অফিস নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ‘১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ’ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৮৭ কোটি টাকা।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণের মধ্যদিয়ে জনগণের কাছে সুবিধাজনক স্থান থেকে উন্নত মানের পাসপোর্ট সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। চলতি বছর থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করবে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর।

অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে পদ্মা (যশোলদিয়া) পানি শোধনাগার নির্মাণ প্রকল্প, যার খরচ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৬৭০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্প, যার খরচ ধরা হয়েছে ২৬৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মোল্লাহাট ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও ভূমি উন্নয়ন প্রকল্প, যার খরচ ধরা হয়েছে ৮২ কোটি ৭১ লাখ টাকা। শেখ হাসিনা স্পেশালাইজড জুট টেক্সটাইল মিল প্রকল্প, যার খরচ ধরা হয়েছে ৫১৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামে সাইক্লোট্রন ও পেস-সিটি এবং ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্স (আইএনএমপি) এবং সাভারে সাইক্লোট্রন সুবিধাদি স্থাপন প্রকল্প, যার খরচ ধরা হয়েছে ৬৭৩ কোটি টাকা। সোনাইমুড়ী-সেনবাগ-কল্যান্দী-চন্দেরহাট-বসুরহাট সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, যার খরচ ধরা হয়েছে ২৪১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পূর্বের সংবাদ

February 2019
M T W T F S S
« Jan    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় প্রথম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন