খাগড়াছড়ি, , মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮

 বিচারকদের শৃংখলাবিধি; সুপ্রিমকোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৭-১২-১২ ১১:১৩:৩৬ || আপডেট: ২০১৭-১২-১২ ১১:১৩:৩৬

অনলাইন ডেক্স:  আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন,  সবার চাহিদা অনুযায়ী অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃংখলাবিধি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি বরং বাড়ানো হয়েছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ের আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সোমবার নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
এ বিধিমালা অনুযায়ী অধস্তন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের শৃংখলা সংক্রান্ত বিষয়গুলো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
গেজেটে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ’ অর্থ রাষ্ট্রপতি বা তৎকর্তৃক সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রণীত রুলস অব বিজনেস-এর আওতায় সার্ভিস প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে বোঝানো হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, অধস্তন আদালতের শৃংখলাবিধির ওপর কার্যত সরকারেরই নিয়ন্ত্রণ থাকছে। কারণ সার্ভিস সদস্যদের প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় বলতে আইন মন্ত্রণালয়কেই বোঝানো হয়েছে।
অধস্তন আদালতের শৃংখলাবিধি নিয়ে সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এর জবাব দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।
গত বছরের ২৮ আগস্ট শুনানিতে আপিল বিভাগ জানায়, শৃংখলা বিধিমালাসংক্রান্ত সরকারের খসড়াটি ছিল ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থি।
এর পরই সুপ্রিমকোর্ট একটি খসড়া বিধিমালা করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। একইসঙ্গে ওই বছরের ৬ নভেম্বরের মধ্যে তা প্রণয়ন করে প্রতিবেদন আকারে আদালতকে অবহিত করতে নির্দেশ দেয়।
কিন্তু এ নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে তৎকালীন প্রধান বিচারপতির কয়েক দফা বৈঠক হয়। একপর্যায়ে মন্ত্রণালয় একটি খসড়া করলে সেটিতে প্রধান বিচারপতি আপত্তি জানান।
এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃংখলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠানো হয়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃংখলাবিধি তৈরি করেন।

Leave a Reply

পূর্বের সংবাদ

May 2018
M T W T F S S
« Apr    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় প্রথম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন

error: Content is protected !!