খাগড়াছড়ি, , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০

বঙ্গবন্ধু নামটির সাথে জাতি-রাষ্ট্রের প্রাণের আবেগ সম্পৃক্ত- খাগড়াছড়িতে মুজিব বর্ষ উদযাপন প্রস্তুতি সভায় এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

প্রকাশ: ২০২০-০২-২৪ ২৩:১১:১৩ || আপডেট: ২০২০-০২-২৪ ২৩:১১:১৯

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি॥ খাগড়াছড়ি’র সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী পদ-মর্যাদার শরণার্থী টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু নামটির সাথে জাতি-রাষ্ট্রের প্রাণের আবেগ সম্পৃক্ত। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালির জন্ম না হলে দেশে হাজার হাজার সরকারি কর্মকর্তা-জনপ্রতিনিধি’র সন্মানীয় পদ সৃষ্টি হতো না। তাই তাঁর জন্ম শতবর্ষে মনের গহীন থেকে গভীর শ্রদ্ধাভরে সর্বোচ্চ সৃজনশীলতার প্রতিফলন ঘটানো প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।

সোমবার দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ‘মুজিব বর্ষ’-এর বছরব্যাপি কর্মসূচি সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় কমিটির নির্দেশিত কর্মসূচির বাইরেও প্রত্যেক বিভাগীয় প্রধান এবং এনজিও-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও পেশাজীবি ব্যক্তিবর্গকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ‘ইনোভেটিভ’ কর্মসূচি প্রণয়নের আহ্বান জানান। এবং জেলা প্রশাসকের সাথে সমন্বয় করে গৃহীত এসব কর্মসূচিতে অর্থায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভায় জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির পর্যটন সম্ভাবনাকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিশেবে আলুটিলাস্থ দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক গুহা এলাকার প্রবেশমুখে ৪৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নান্দনিক মুজিব তোরণ নির্মাণ করা হবে। সরকারি লাইন ডিপার্টমেন্টগুলোর সাথে সমন্বিত বছরব্যাপি কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

পুলিশ সুপার মো: আব্দুল আজিজ জানান, জেলায় মুজিব বর্ষেও প্রতিটি কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি জাতীয় এজন্ডা ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার’ বিনির্মাণে প্রতিটি পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। প্রতিটি থানায় বীর মুক্তিযোদ্ধা-প্রতিবন্ধী-নারী-শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের পৃথক সার্বিস ডেস্ক চালু হয়েছে।

পৌর মেয়র মো: রফিকুল আলম জানান, জেলাশহরের জিরোমাইল এলাকায় বঙ্গবন্ধু’র আবক্ষ মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্কোয়ার প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল, পবিার-পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক বিপ্লব বড়ুয়া, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা উষানু চৌধুরী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট-এর উপ-পরিচালক জীতেন চাকমা, দৈনিক অরণ্যবার্তা সম্পাদক আতাউর রহমান এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি’র সা: সম্পাদক জীতেন বড়ুয়া আলোচনায় অংশ নেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.