খাগড়াছড়ি, , মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে ৬শ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ

প্রকাশ: ২০১৭-০২-১৫ ১৪:২৩:০৬ || আপডেট: ২০১৭-০২-১৫ ১৪:২৩:০৬

মোঃ নুরুল আমিন,রাঙামাটি: রাঙামাটির পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ৬শ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ব্যাপক সম্ভাবনাকে সামনে রেখে রাঙামাটি পর্যটন শিল্পকে আরও বিকশিত করার লক্ষ্যে জেলা পরিষদ ইতোমধ্যে একটি মাস্টার প্লান করেছে। পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে এ মাস্টার প্লান। এ মাস্টার প্লান বাস্তবায়ন ও এর সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে বুধবার রাঙামাটি জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা। জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান, জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেন পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। সভায় জেলার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী ও সাংবাদিকরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সভায় জানানো হয় জেলা পরিষদের মাস্টার প্লানে রাঙামাটি শহর ও এর আশে পাশের এলাকায় পর্যটন উন্নয়নের আওতায় আনা হবে।
পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা বলেন, পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন উপযুক্ত পরিবেশ। এখানকার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের উন্নয়ন না হলে পর্যটনের উন্নয়ন সম্ভব নয়। পর্যটন বান্ধব পরিবেশ না থাকায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদেশী পর্যটক আসছে না। পর্যটকদের জন্য বেশি সুযোগ সুবিধা দিতে না পারলেও অন্তত পর্যটন বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে এখানে বিদেশী পর্যটক বাড়বে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। জেলা পরিষদের গৃহিত পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনাকে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংস্কৃতি ও পরিবেশ বান্ধব করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের প্রতিটি স্থাপনায় ও উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিজস্ব কৃষ্টি কালচারের অবয়ব থাকা দরকার। আর উন্নয়ন যাতে প্রকৃতিকে বাধাগ্রস্ত না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা বলেন, রাঙামাটিতে অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম কাপ্তাই হ্রদ, পাহাড় ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যকে কাজে লাগাতে পারলে রাঙামাটি হবে একটি মালয়েশিয়া বা তার চেয়ে আরও আকর্ষনীয় স্থান। তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পে উন্নয়নে যে পরিকল্পনাই গ্রহণ করা হোক না কেন তা হতে হবে পার্বত্য চুক্তি মোতাবেক। চুক্তির বাইরে কোন উন্নয়ন করা হবে না বলেও তিনি জানান।
রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবার হোসেন চৌধুরী বলেন, রাঙামাটির পর্যটন শিল্পকে আরও বিকশিত করতে হলে পর্যটনের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি পার্বত্য এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। অবৈধ অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ করা গেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও পর্যটক বাড়বে বলেও তিনি মতামত ব্যক্ত করেন।
সভায় স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও এনজিও প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।রাঙামাটির পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ৬শ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ব্যাপক সম্ভাবনাকে সামনে রেখে রাঙামাটি পর্যটন শিল্পকে আরও বিকশিত করার লক্ষ্যে জেলা পরিষদ ইতোমধ্যে একটি মাস্টার প্লান করেছে। পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে এ মাস্টার প্লান।
এ মাস্টার প্লান বাস্তবায়ন ও এর সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে বুধবার রাঙামাটি জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা। জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান, জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেন পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। সভায় জেলার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী ও সাংবাদিকরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সভায় জানানো হয় জেলা পরিষদের মাস্টার প্লানে রাঙামাটি শহর ও এর আশে পাশের এলাকায় পর্যটন উন্নয়নের আওতায় আনা হবে। পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা বলেন, পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন উপযুক্ত পরিবেশ। এখানকার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের উন্নয়ন না হলে পর্যটনের উন্নয়ন সম্ভব নয়। পর্যটন বান্ধব পরিবেশ না থাকায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদেশী পর্যটক আসছে না। পর্যটকদের জন্য বেশি সুযোগ সুবিধা দিতে না পারলেও অন্তত পর্যটন বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে এখানে বিদেশী পর্যটক বাড়বে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
জেলা পরিষদের গৃহিত পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনাকে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংস্কৃতি ও পরিবেশ বান্ধব করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের প্রতিটি স্থাপনায় ও উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিজস্ব কৃষ্টি কালচারের অবয়ব থাকা দরকার। আর উন্নয়ন যাতে প্রকৃতিকে বাধাগ্রস্ত না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানান তিনি। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা বলেন, রাঙামাটিতে অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম কাপ্তাই হ্রদ, পাহাড় ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যকে কাজে লাগাতে পারলে রাঙামাটি হবে একটি মালয়েশিয়া বা তার চেয়ে আরও আকর্ষনীয় স্থান। তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পে উন্নয়নে যে পরিকল্পনাই গ্রহণ করা হোক না কেন তা হতে হবে পার্বত্য চুক্তি মোতাবেক। চুক্তির বাইরে কোন উন্নয়ন করা হবে না বলেও তিনি জানান।
রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবার হোসেন চৌধুরী বলেন, রাঙামাটির পর্যটন শিল্পকে আরও বিকশিত করতে হলে পর্যটনের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি পার্বত্য এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। অবৈধ অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ করা গেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও পর্যটক বাড়বে বলেও তিনি মতামত ব্যক্ত করেন।
সভায় স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও এনজিও প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।##

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পূর্বের সংবাদ

March 2019
M T W T F S S
« Feb    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় প্রথম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন