খাগড়াছড়ি, , শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

দুইদিনব্যাপী প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা সচেতনতা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

প্রকাশ: ২০২১-০২-২২ ১০:৪১:০৯ || আপডেট: ২০২১-০২-২২ ১০:৪১:১২

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্থানীয় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা জাবারাং কল্যাণ সমিতির ওয়াই মুভস প্রকল্পের উদ্যোগে ২০-২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ দুইদিনব্যাপী অভিভাবকদের প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা সচেতনতা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থা প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের অর্থায়নে জাবারাং কল্যাণ সমিতি কর্তৃক পরিচালিত ওয়াই মুভস প্রকল্পের কিশোর কিশোরীদের নিয়ে গঠিত খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পেরাছড়া ইউনিয়ন ন্যাশনাল চিলড্রেন টাস্কফোর্স (এনসিটিএফ) দলের সদস্যদের ২৬ জন অভিভাবক এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করেন। তরুণদের বিশেষত মেয়েদের এবং তরুণীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, যৌন ও জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে মায়েদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদানের এই বিশেষ ব্যবস্থা। মায়ের মাধ্যমে মা চক্রের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি করতে ২৬জন মাকে এই প্রশিক্ষণে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ২৫০জন মাকে আলোচ্য বিষয়ে অবহিত করার প্রত্যয় নেন প্রশিক্ষণে আসা ২৬জন অভিভাবক। কমিউনিটি বিশেষত পিতা-মাতা/অভিভাবকদের মধ্যে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরী এবং প্রজনন স্বাস্থ্য প্রচারের ক্ষেত্রে যৌথ পদক্ষেপের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরী এবং তরুণীদের সমর্থন করার মাধ্যমে মেয়েদের জন্য পরিবারে ও সমাজে একটি অনুকুল পরিবেশ তৈরি করতে পারলেই সার্থক হবে বলে মত দেন সংস্থার কর্মসূচি সমন্বয়কারী বিনোদন ত্রিপুরা। কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং বাল্যবিবাহের কুফল ও প্রতিরোধে করনীয় সম্পর্কে সহজভাবে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য প্রশিক্ষণ সহায়ক রাখী ত্রিপুরা, চুমকী মারমা, নবলেশ্বর দেওয়ান ও প্রজেক্ট অফিসার দোলন দাসকে ধন্যবাদ জানান প্রশিক্ষণে অংশগ্রহনকারী অভিভাবক ও পেরাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য চনিতা ত্রিপুরা।

প্রশিক্ষণের মূল্যায়ন পর্বে ভোলানাথ পাড়ার অভিভাবক হিমারাণী ত্রিপুরা বলেন- জীবনমুখী বাস্তব সমস্যা নিয়ে আমরা অনেক সময় ছেলে-মেয়েদের সাথে মন খুলে সহজে কথা বলিনা। তাতে আমাদেরই নিজেদের ক্ষতি হয়ে যায়। আজ তা অনুভব করলাম। আমাদের ছেলে-মেয়েদের সাথে বয়:সন্ধিকালের সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে আমার স্বামীকেও বলবো। প্রতিবেশীদের সাথেও এ বিষয়ে আলোচনা করবো।

প্রশিক্ষণ শেষে সকলেই বাল্য বিবাহকে না বলেন এবং প্রতিরোধে প্রয়োজনে হটলাইন নাম্বার ৩৩৩-এ কল করবেন বলে প্রতিজ্ঞা করনে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.