খাগড়াছড়ি, , বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০

খাগড়াছড়িতে য়ামুক সাংস্কৃতিক আন্দোলন, খাগড়াপুর এর উদ্যোগে ত্রিপুরাব্দ পালন

প্রকাশ: ২০১৯-১২-২২ ২০:৫০:০৯ || আপডেট: ২০১৯-১২-২২ ২০:৫০:১৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: নাট্যকার ও কবি অলিন্দ্র লাল ত্রিপুরার উদ্যোগে য়ামুক- সাংস্কৃতিক আন্দোলন, খাগড়াপুর এর ব্যবস্থাপনায় য়ামুক কার্যালয়ে অনাড়ম্ভরভাবে ত্রিপুরাব্দ পালিত হয়েছে। মহারাজা ‘হামতরফা’ ১১৮ নং ত্রিপুরা রাজা ৫৯০ খ্রীস্টাব্দে বঙ্গদেশ বিজয়ের স্মৃতি রক্ষার্থে  ত্রিপুরাব্দ প্রবর্তন করেন। 

আজ রবিবার খাগড়াছড়ি জেলায় (২২ ডিসেম্বর ২০১৯খ্রি:) ১৪৩০ ত্রিপুরাব্দ পালন উপলক্ষে প্রশ্ন উত্তর প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রামের অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য প্রযোজক মুক্ত গবেষক মাচাং প্রভাংশু ত্রিপুরা।

য়ামুক-এর সভাপতি মাচাং প্রমোদ ত্রিপুরার সভাপতিত্বে ও সমাজকর্মী ধনেশ্বর ত্রিপুরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় ত্রিপুরাব্দ আয়োজনের প্রেক্ষাপট ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদ্যোগসূত্রী অলিন্দ্র লাল ত্রিপুরা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মিনিহা ত্রিপুরা খুশি,  যদু ত্রিপুরা, যোশী ত্রিপুরা, জগদীশ ত্রিপুরা, বিনোদন ত্রিপুরা, বিপ্লব কান্তি ত্রিপুরা, দয়ানন্দ ত্রিপুরা, মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, পরিমল জ্যোতি ত্রিপুরা প্রমুখ।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে ২২ ডিসেম্বর ত্রিপুরাব্দ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গ্রামে পিঠা খাওয়া, ককবরক ভাষায় ছড়া, কবিতা আবৃত্তি, গান পরিবেশনা হয়েছে। 

আলোচনা সভার শুরুতে অনুষ্ঠিত প্রশ্ন উত্তর পর্বে সর্বোচ্চ সংখ্যক জবাব দিয়ে বিজয়ী যথাক্রমে ১ম, ২য় ও ৩য় হবার গৌরব অর্জন করে মধু ত্রিপুরা, রিপনা ত্রিপুরা ও গনিতা ত্রিপুরা।

ত্রিপুরা জাতির প্রধান সামাজিক উৎসব যেমন বৈসুক, তেমনি এই ত্রিপুব্দের ইতিহাসও তেমন গুরুত্বপূর্ণ। তাই বৈসুক পালনের পাশাপাশি ত্রিপুরাব্দ পালনে ও এই দিবসকে প্রচার করতে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদকে ভূমিকা পালনের বিশেষ আহবান জানান বক্তারা। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পূর্বের সংবাদ

April 2020
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন