খাগড়াছড়ি, , সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮

খাগড়াছড়িতে এখনও জলাবদ্ধ নিম্নাঞ্চল , ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১৪ ১৬:৫১:২৩ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১৪ ১৬:৫১:৪৪

মোঃ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া আসাদ:  খাগড়াছড়িতে পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বুধবার ভোর থেকে কিছু কিছু এলাকায় পানি সরে যাওয়ার পর ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্দা ও ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করতে দেখা গেছে। এ

খনও খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা ও মহালছড়ি উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে আছে। বন্যায় ফসলি ক্ষেত ও সড়ক ডুবে থাকায় বাজারে শাক সবজীর সংকট তৈরী হয়েছে। ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা নারী ও শিশুরা দূর্ভোগে রয়েছে।

গত সোমবার দিবাগত রাতে হঠাৎ করে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বেড়ে গিয়ে ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন অফিস আদালতে ঢুকে পরায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সকাল থেকে বৃষ্টিপাত না থাকলেও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরে যেতে প্রচারণা চালাচ্ছে।

কয়েকদিনের টানা বর্ষণে গত সোমবার রাত থেকে খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা, মহালছড়ি ও রামগড় উপজেলার চেঙ্গী, মাইনী ও ফেণী নদীর পানি বেড়ে গিয়ে প্রায় দশ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। তলিয়ে যায় খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম-ঢাকা আঞ্চলিক ও জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলো।

খাগড়াছড়ি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: শাহ আলম বলেন, খাগড়াছড়ি পৌরসভার মুসলিমপাড়া, শব্দমিয়া পাড়া ও শান্তিনগর এলাকাসহ কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমলেও এখনও অধিকাংশ তলিয়ে আছে। নিম্নাঞ্চল গুলোতে বর্ষার সময় উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করার সুবিধার্থে নৌযান প্রদানে সরকারের কাছে অনুরোধ করেন তিনি।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো: রাশেদুল ইসলাম বলেন, সব ক’টি উপজেলায় দূর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি রয়েছে। জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে দাবি করে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ত্রাণ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে আশ^স্ত করেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

পূর্বের সংবাদ

June 2018
M T W T F S S
« May    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় প্রথম পাতা

এই সপ্তাহের আলোকিত পাহাড় শেষ পাতা

বিজ্ঞাপন

error: Content is protected !!