খাগড়াছড়ি, , মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

কাপ্তাইয়ে কোথাও শোকাবহ জেল হত্যা দিবস পালিত হয়নি

প্রকাশ: ২০২০-১১-০৩ ২৩:১০:২৪ || আপডেট: ২০২০-১১-০৩ ২৩:১০:২৬

কাপ্তাই প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাইয়ের কোথাও শোকাবহ জেল হত্যা দিবস পালিত হওয়ার সংবাদ পাওয়া যায় নি। ফলে কাপ্তাই উপজেলা সহ পাঁচটি ইউনিয়নের কোথাও এ দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় নি।

কাপ্তাই উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নুর উদ্দিন সুমন জানান- কাপ্তাই উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অংসুই ছাইন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল সহ দুই জনই রোগে আক্রান্ত থ্কায় জাতীয় দিবসটি এবার পালন করা যায় নি।

বিষয়টি আরো নিশ্চিত করনে আ লীগ নেতা এনামুল হক, উজ্জ্বল ভট্টাচার্য, অমল দে এছাড়াও আ লীগ, ছাত্র লীগ, যুব লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা। এ বিষয়ে দলীয় পরীক্ষিত নেতা কর্মীরা এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন ৩ নভেম্বর শোকাবহ জেলহত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় এই দিনটি। স্বাধীনতা প্রাপ্তির সাড়ে তিন বছরের মাথায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় ১৫ আগস্ট ভোরে। এর আড়াই মাস পর ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে চার জাতীয় নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশের যে কয়টি দিন চিরকাল কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে, তার একটি ৩ নভেম্বর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। বঙ্গবন্ধুকে হতার পর খন্দকার মোশতাক আহমেদের নেতৃত্বে

ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয় চার নেতাকে তাদের সরকারে যোগদানের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ এই জাতীয় চার নেতা সেই প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। এ কারণে তাদের নির্মমভাবে জীবন দিতে হয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.